সাধারণ খবর শহর

পুরুলিয়া শহর থেকেই এবার গোটা জেলার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বসছে হেডকোয়ার্টার

শহরের নডিহায় পুরনো পুলিশ ফাঁড়ির জায়গাতেই গড়ে উঠছে ডিস্ট্রিক্ট ট্রাফিক অ্যান্ড রোড সেফটি হেডকোয়ার্টার। বৃহস্পতিবার ১৮ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে ওই কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন জেলা পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারি।
পুরুলিয়া শহর থেকেই এবার গোটা জেলার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণে বসছে হেডকোয়ার্টার

 

সুইটি চন্দ্র, পুরুলিয়া:

শহরের যানজট সমস্যা দূর করতে এবং পথ দুর্ঘটনা কমাতে একগুচ্ছ নতুন পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করলেন পুরুলিয়ার পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারি।

শহরের নডিহায় পুরনো পুলিশ ফাঁড়ির জায়গাতেই গড়ে উঠছে ডিস্ট্রিক্ট ট্রাফিক অ্যান্ড রোড সেফটি হেডকোয়ার্টার। বৃহস্পতিবার ১৮ নম্বর জাতীয় সড়কের ধারে ওই কার্যালয়ের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন জেলা পুলিশ সুপার বৈভব তেওয়ারি। পুলিশ সূত্রের খবর, নতুন এই সদর কার্যালয় থেকেই জেলার সামগ্রিক ট্রাফিক ব্যবস্থা নিয়ন্ত্রণ করা হবে। এখানেই বসবেন ডিএসপি, ট্রাফিক অরিন্দম চক্রবর্তী। তাঁর সঙ্গে থাকবেন আরও পাঁচ জন পুলিশকর্মী। ট্রাফিক ইন্সপেক্টর এবং দুই ট্রাফিক ওসির তত্ত্বাবধানে প্রথম পর্যায়ে পুরুলিয়া শহরের যান নিয়ন্ত্রণের কাজ চলবে।

অন্যদিকে, বুধবার পুরুলিয়ার জজ বাংলা মোড়ে একটি অত্যাধুনিক ট্রাফিক সিগন্যাল  উদ্বোধন করে পুলিশ সুপার জানান,  "পুরুলিয়া শহরের ট্রাফিক ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে জেলা পুলিশ লাগাতার কাজ করে চলেছে। এরই অংশ হিসেবে  জানুয়ারি মাসে রাঘবপুর মোড়ে একটি ট্রাফিক সিগন্যাল চালু করা হয়েছিল এবং  জজ বাংলা মোড়ে দ্বিতীয় সিগন্যালটির উদ্বোধন করা হলো। এই সিগন্যালটিতে অটোমেটিক (স্বয়ংক্রিয়) এবং ম্যানুয়াল‌ দুই ধরনের ব্যবস্থাই রয়েছে।"
জজ বাংলো মোড়টিকে শহরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট হিসেবে উল্লেখ করে পুলিশ সুপার বলেন,
"এখানে ভিআইপি মুভমেন্টের পাশাপাশি রাঁচি রোডের সাথে সরাসরি সংযোগ রয়েছে। এছাড়া রাতে প্রচুর পণ্যবাহী গাড়ি এবং সারাদিন সাধারণ মানুষের যাতায়াত থাকে। তাই এখানকার ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ করা অত্যন্ত জরুরি ছিল।"

পাশাপাশি জেলার যে সমস্ত এলাকায় যানজট বা দুর্ঘটনার প্রবণতা বেশি, সেখানে নতুন ট্রাফিক গার্ড চালু করা হচ্ছে। এর মধ্যে বলরামপুর, রঘুনাথপুর, ঝালদা এবং মানবাজারের মতো এলাকাগুলো রয়েছে। খুব শীঘ্রই হুড়াতেও এই পরিষেবা শুরু হবে।

পুলিশ সুপার জেলার সমস্ত নাগরিককে ট্রাফিক নিয়ম মেনে চলার এবং পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান, যাতে পুরুলিয়াকে জটমুক্ত ও নিরাপদ করে তোলা সম্ভব হয়।