নিজস্ব প্রতিনিধি, রঘুনাথপুর:
গণনাকেন্দ্রের মধ্যেই ইয়াব্বড়ো বড়ো বড়ো মৌচাক। একবার ভাবুন তো, ৪ তারিখ ভোট গণনার সময় কেউ যদি একটা ছোট্ট ঢিল ছুঁড়ে দিতো! মৌচাক ঘিরে উৎকণ্ঠা দূর করতে গণনার আগে কোনও ঝুঁকি নিতে নারাজ নির্বাচন কমিশন। তাদের আশঙ্কা অল্প উসকানিতেই ঘটতে পারে বিপদ। আর তাই দেরি না করে বন দফতরের সাহায্যে ভেঙে ফেলা হল একাধিক মৌচাক।
ঘটনাটি পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর কলেজের স্ট্রং রুমে। সেখানেই সুরক্ষিত রয়েছে ২৪৪ কাশিপুর, ২৪৫ পাড়া ও ২৪৬ রঘুনাথপুর বিধানসভার প্রার্থীদের ভাগ্য। কমিশনের নজরে আসতেই দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হয়। বন দফতর কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই মৌচাক সরানোর কাজ সম্পন্ন করে।
মানবাজার মানভূম মহাবিদ্যালয়, সিধো কানহু বিরসা বিশ্ব বিদ্যালয় ও রঘুনাথপুর মহাবিদ্যালয় -- জেলায় এ বার মোট তিনটি স্ট্রং রুমে রাখা হয়েছে ইভিএম। সেখানে বন্দি রয়েছে ৯টি বিধানসভার মোট ৮৬ জন প্রার্থীর ভবিষ্যৎ। নিরাপত্তায় মোতায়েন রয়েছে তিন কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।
ভোটপর্ব শান্তিপূর্ণ হলেও, গণনার আগে কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চাইছে না প্রশাসন। পুরুলিয়া জেলা পুলিশের তত্ত্বাবধানে কেন্দ্রীয় বাহিনীর ‘এরিয়া ডমিনেশন’ ভোটের পরেও জারি থাকবে। আগামী ৪ মে গণনা। তার আগে পর্যন্ত জেলায় থাকছে মোট ১০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর মধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও এলাকা দখল বজায় রাখতে কাজে লাগানো হবে সাত কোম্পানি বাহিনী। সব মিলিয়ে, গণনার দিনকে ঘিরে প্রস্তুতিতে কোনও খামতি রাখতে নারাজ কমিশন। ছোট্ট একটি ঢিলও যাতে বড় বিপদ ডেকে না আনে, সে দিকেই এখন কড়া নজর প্রশাসনের।