নিজস্ব প্রতিনিধি, রঘুনাথপুর:
মুখ্যমন্ত্রী বলে দিয়েছেন। বলে দিয়েছেন সাংসদ। এমনকি রঘুনাথপুরের বিধায়ক মামণি বাউরিও ঘটনাস্থলে গিয়ে নির্দেশ দিয়ে এসেছেন, বেড়োর চন্ডী পাহাড় কাটা যাবে না। তবু নাকি চলছে বেড়োর চন্ডী পাহাড় কাটা। কারা কাটছে? এত দুঃসাহস কাদের? তাদের মাথার উপরে রয়েছে কার হাত, যে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশের পরেও চলছে পাহাড় কাটা? এমন প্রশ্নই তুলছেন এলাকাবাসী।
তৃণমূল আমলে এলাকায় গ্রানাইট হাব হবে, এই স্বপ্ন দেখানো হয়েছিল বেড়ো এলাকায়। হয়নি গ্রানাইট হাব। বদলে একের পর এক পাথর ক্রাশার এলাকার পরিবেশকে চরম দূষিত করে চলেছে বলে অভিযোগ ওঠে। এমনকি এলাকার ধর্মস্থান চণ্ডী পাহাড়ও পাথর খননের হাত থেকে রক্ষা পাচ্ছে না বলে অভিযোগ ওঠে।
আগেই সাংসদ বলেছিলেন তৃণমূল আমলের সমস্ত প্রকল্প বাতিল করে পাহাড় কাটা বন্ধ করতে হবে। বুধবারেও সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে সেই একই কথা বললেন পুরুলিয়ার সাংসদ জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো।
তিনি বলেন, "কোনো অবস্থাতেই পাহাড় বা গাছ কাটা মেনে নেওয়া হবে না; সেরকম কিছু হলে কঠোর আইনি ব্যবস্থা ও রেয়াতহীন অ্যাকশন নেওয়া হবে। চণ্ডী পাহাড় বা অন্য কোথাও আজও এমনটা ঘটে থাকলে বিজেপি তার পূর্ণ বিরোধিতা করবে এবং পাহাড় রক্ষা করতে আমরা যে কোনো পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুত"।
প্রশ্ন উঠছে, খোদ মুখ্যমন্ত্রীর কথা যারা শুনছে না, তারা কতটা ক্ষমতাশালী? কীসের দুঃসাহস বুকে নিয়ে এমন কাজ করে চলেছে তারা? প্রশ্ন তুলছেন এলাকার মানুষজন।