নিজস্ব প্রতিনিধি, বাঘমুন্ডি :
২০২৫ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষায় বাংলায় প্রথম বিলুপ্তপ্রায় বিরহোড় জনজাতির ৪ জন মেয়ে সাফল্যের সাথে উত্তীর্ণ হয়েছিল । গতবছরের পর এবারেও ১০০ শতাংশ সাফল্য পেল বিরহোড় জনজাতির পড়ুয়ারা। ২০২৬ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় দুই বিরহোড় কন্যা ও দুই ছাত্র সহ মোট ৪ জন মাধ্যমিক পরীক্ষায় বসেছিল ।জীবনের এই প্রথম বড় পরীক্ষায় সকলেই সাফল্যের সঙ্গে উত্তীর্ণ। সকলের এই সাফল্য গর্বিত করেছে নিজ নিজ বিদ্যালয় সহ পুরুলিয়া জেলাকে।
বাঘমুন্ডির ভূপতি পল্লীর বাসিন্দা সকলেই। দুই ছাত্র ববি শিকারী ও শিশুপাল শিকারী। দুই ছাত্রী ভারতী শিকারী ও লক্ষীমণি শিকারী। ববি ও ভারতী বাঘমুন্ডির ধসকা পণ্ডিত রঘুনাথ মুরমু আদর্শ আবাসিক বিদ্যালয়ের পড়ুয়া। লক্ষ্মীমণি পড়াশোনা করে বাঘমুন্ডির কস্তুরবা গার্লস হাইস্কুলে। শিশুপাল ঝালদা সত্যভামা বিদ্যাপীঠের ছাত্র। বাঘমুন্ডি ১ নম্বর চক্রের অবর বিদ্যালয় পরিদর্শক অভিষেক পাল বলেন, "একেবারে ১০০ শতাংশ সাফল্য। এরা যাতে লেখাপড়া ভালো ভাবে চালিয়ে যেতে পারে আমরা তার সব রকম চেষ্টা করবো।"
যদিও এই সাফল্যর ধারা শুরু হয়েছিল ২০০৯ সালে।ওই বছরেই ভূপতিপল্লীর পড়ুয়া কাঞ্চন শিকারি ও সীতারাম শিকারি ২০০৯ সালে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়। তারপর থেকেই সাফল্য ধরে রেখেছে ভূপতি পল্লীর পড়ুয়ারা।
আদিম শবর জনজাতির আর এক পড়ুয়া এবার মাধ্যমিকে 'এ' গ্রেড পেয়েছে। তার বাড়ি বাঁকুড়ার রানিবাঁধ থানার মৌলা গ্রামে। ওই পড়ুয়া মানবাজার ২ নম্বর ব্লকের শুশুনিয়া একলব্য মডেল রেসিডেন্সিয়াল হাই স্কুলের ছাত্র। ওই পড়ুয়ার প্রাপ্ত নম্বর ৪৫৭।
ছবি : শিশুপাল ও ভারতী