নিজস্ব প্রতিনিধি, রঘুনাথপুর:
শারদোৎসবের আনন্দ এবার একটু আগেই শুরু হয়ে গেল পুরুলিয়ার রঘুনাথপুর ২ নম্বর ব্লকের চেলিয়ামা এলাকায়। চেলিয়ামা রাজ রাজেশ্বরী সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটির উদ্যোগে এবছর তৃতীয়ার দিনই উদ্বোধন হয়ে গেল দুর্গাপূজার। বাঁকুড়ার বিষ্ণুপুরের লুপ্তপ্রায় টেরাকোটা বা পোড়ামাটির শিল্পকলাকে থিম হিসেবে বেছে নিয়ে এবার প্যান্ডেল ও মণ্ডপসজ্জা করেছে পুজো কমিটি। ষষ্ঠ বর্ষের এই পূজোর নামকরণ করা হয়েছে "টেরাকোটার ঐশ্বর্য"।
পুজো উদ্বোধনে উপস্থিত ছিলেন অনগ্রসর শ্রেনি কল্যাণ ও পূর্ত বিভাগের মন্ত্রী নদীয়ারচাঁদ বাউরি। উদ্বোধনী মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, "বিগত সময়ের নানা প্রতিকূলতা কাটিয়ে এবছরের দুর্গাপূজা এক বিশেষ উন্মাদনা ও উৎসাহ নিয়ে এসেছে। সনাতনীরা যাতে কোনোভাবেই বঞ্চিত না হন এবং বঞ্চনার গ্লানি ভুলে সর্বস্তরের মানুষ উৎসবের আনন্দে মেতে ওঠেন, রাজ্য সরকার সেই দিকেই নজর রাখছে। মায়ের মহিমায় সারা বাংলা ও দেশ এবার উৎসবে মাতোয়ারা হবে বলে আশাপ্রকাশ করেন "।
পুজো কমিটির সভাপতি উজ্জ্বল চক্রবর্তী জানান, "এবছর পুজোয় অতিরিক্ত ভিড় ও জনস্রোত সামাল দেওয়া এবং সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে তৃতীয়ার দিনই পূজার সূচনা করা হয়েছে। সীমিত বাজেটের মধ্যেই শিল্প ও সংস্কৃতির মেলবন্ধন ঘটিয়ে দারুণ এক রূপ দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। দুই লক্ষ টাকা বাজেটের এই পুজোর আয়োজনে রাজ্য সরকারের তরফ থেকেও এক লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য পাওয়া গেছে বলে জানান "।
তৃতীয়ার পুজো উদ্বোধনের পর থেকেই চেলিয়ামার প্রতিমা দর্শনে স্থানীয় এলাকাবাসীর পাশাপাশি আশপাশের গ্রাম থেকেও মানুষের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে।