সুইটি চন্দ্র, পুরুলিয়া :
২০২৩ পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপি থেকে মাত্র ২ জন সদস্য জিতেছিলেন পুরুলিয়া জেলা পরিষদ আসনে। ১ জন কংগ্রেস থেকে। ৪৫ আসনের পুরুলিয়া জেলা পরিষদের বাকি ৪২ জন ছিলো তৃণমূলের। কলেন্দ্রনাথ মান্ডি বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় সংখ্যাটা সামান্য কমে। কিন্তু ভোটের ফলাফল বার হতেই চিত্রটা পালটে যায়। বিজেপি সূত্রে খবর বেশ কয়েকজন তৃণমূল জেলা পরিষদ সদস্য নাকি যোগাযোগ করেছেন পদ্ম শিবিরে। আর সেই ভরসাতেই নাকি গেরুয়া শিবির ছক কষেছে জেলা পরিষদে অনাস্থা আনার।
বিজেপি স্টেট কাউন্সিল সদস্য গৌতম রায় বলেন, "জেলা পরিষদ সদস্য এবং তৃণমূলের এমন অনেক নেতা আছেন, যাঁরা আমাদের নেতৃত্বদের সাথে ইতিমধ্যে যোগাযোগ করছেন। আমাদের দল সরকারে এসেছে। সম্ভবত ৯ তারিখ শপথ নেওয়া হবে। তারপরে মন্ত্রী সভার বৈঠকে নেতৃবৃন্দ ঠিক করবেন যে আমরা জেলা পরিষদ বা পঞ্চায়েত সমিতিগুলো নিয়ে কী ভাবছি। নেতৃত্বের কাছ থেকে যেভাবে নির্দেশ আসবে সেভাবে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আমাদের সরকার এসেছে মানুষের ব্যাপক সমর্থন নিয়ে। আমরা মানুষকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি। যারা দুর্নীতিগ্রস্ত, যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করে এ সরকার হয়েছে, যারা দুর্নীতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছে, তাদেরকে আমাদের দল নেবে না। এটা ঘোষণা করেছেন আমাদের রাজ্য সভাপতি। সাধারণ মানুষ নিশ্চয়ই আসতে পারেন। যারা তৃণমূল করছিলেন তারাও আসতে পারেন। কিন্তু যে নেতৃত্ব দুর্নীতি করেছে, মানুষের উপর অত্যাচার চালিয়েছে, সরকারি সম্পত্তি লুট করেছে, সেই নেতৃবৃন্দকে আমাদের দল কোনদিনও নেবে না।"