ব্লক ভোটের খবর

হোম ভোটে বিড়ম্বনায় নির্বাচন কমিশন , নিখোঁজ ভোটারকে খুঁজে এনে নেওয়া হলো ভোট

হোম ভোটিং করতে গিয়ে প্রথম দিনই চরম বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হলো নির্বাচন কমিশনকে। পালিয়ে গিয়েছিলেন ভোটার। তাঁকে খুঁজে এনে তবে ভোট নিলো নির্বাচন কমিশন।
হোম ভোটে বিড়ম্বনায় নির্বাচন কমিশন , নিখোঁজ ভোটারকে খুঁজে এনে নেওয়া হলো ভোট

 

নিজস্ব প্রতিনিধি, পুরুলিয়া;

কোথায় চলে গেছে ভোটার? একদিকে বিএলও অন্যদিকে পরিবারের লোকজন খুঁজতে নেমেছেন। ভোটের প্রথম দিনই প্রবল বিড়ম্বনায় নির্বাচন কমিশন। ১৪ থেকে ১৮ এপ্রিল বাড়ি বাড়ি ভোট নেওয়া শুরু করা রেছে কমিশন। বয়সে পঁচাশি ঊর্ধ্ব আর বিশেষভাবে সক্ষমরা এই ভোটার তালিকায়। আর এই হোম ভোটিং করতে গিয়ে প্রথম দিনই চরম বিড়ম্বনার মুখে পড়তে হলো নির্বাচন কমিশনকে। পালিয়ে গিয়েছিলেন ভোটার। তাঁকে খুঁজে এনে তবে ভোট নিলো নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার পুরুলিয়া বিধানসভার পুরুলিয়া ২ নম্বর ব্লকের ছররা গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ঘটনা। এখানে যে ভোটারের ভোট নিতে গিয়েছিল নির্বাচন কমিশন সেই বছর চল্লিশের ঝুনি বাউরি বিশেষভাবে সক্ষম। মানসিক সমস্যা রয়েছে বলে জানাচ্ছেন তাঁর ভাই। ফলে তিনি ভোট না দিলেও তাঁর হয়ে ভোট দিলেন তাঁর সেই ভাইই।

ভোটারের ভাই নিত্যানন্দ বাউরি বলেন,“ও মানসিকভাবে অসুস্থ। ছোটবেলা থেকেই ওর সমস্যা রয়েছে। তাই ও নিজে ভোট দিতে পারেনি, আমি ওর হয়ে ভোট দিয়েছি।”

মাইক্রো অবজারভার কবিতা কুমারী বলেন, "ব্যালট পেপারের মাধ্যমে হোম ভোটিংয়ে এই ভোট নেওয়া হচ্ছে। ৮৫ বছরের ঊর্ধ্বে যারা ভোট দেবে তাদের জন্য।"

বিএলও শুভসিঞ্চন মাহাতো বলেন, "ওই ভোটার ১২ বছর বয়স থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন। বাড়িতে বেশিক্ষণ থাকেন না, মাঝে মাঝেই বাইরে চলে যান। আজকে তাঁকে খুঁজে এনে সুরক্ষিতভাবে ভোটগ্রহণ করা হয়েছে। তাঁর হয়ে তাঁর ভাই ভোট দিয়েছেন।”

২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে সারা জেলায় হোম ভোটিং ভোটার ৫,৫৮৮ জন। তাঁদের মধ্যে ৪০১৯ জন ৮৫ বছরের উর্ধ্বে। বিশেষভাবে সক্ষমের সংখ্যা ১,৫৬৯ জন। বাড়ি ভোটের ক্ষেত্রেও পোলিং অফিসার থাকছেন দু'জন। থাকছেন একজন ভিডিওগ্রাফার, একজন মাইক্রো অবজারভার, একজন রাজ্য পুলিশ ও চারজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ান। সঙ্গে থাকছেন নির্দিষ্ট বুথের বুথ লেবেল অফিসার। ভিডিওগ্রাফার পুরো ভোটিং রেকর্ড করছেন।